8 views 1 sec 0 comments

“বাংলাদেশের ওষুধশিল্প এখন বিশ্বমানের”

In Business
December 21, 2022
“বাংলাদেশের ওষুধশিল্প এখন বিশ্বমানের”

বাংলাদেশের ওষুধশিল্প এখন বিশ্বমানের বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা।
মঙ্গলবার দুপুরে সাভারে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মজিনা বলেন, “বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ। ক্রমেই দেশটি এগিয়ে যাচ্ছে। এ দেশ পাট ও বস্ত্র বিদেশে রফতানি করে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। একই পথ ধরে ওষুধশিল্প অচিরেই বিশ্ববাজারে অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।”

“বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আশাবাদী” উল্লেখ করে মজিনা বলেন, “বিভিন্ন দিক থেকেই বাংলাদেশের সম্ভাবনা এখন বেশি। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মতো এদেশ আগামীতে এশিয়ার টাইগারে পরিণত হবে।”

যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রফতানি করতে কোনো বাধা আছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মজিনা বলেন, “আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই এখানে ওষুধ উৎপাদন হচ্ছে। বিশ্বের যে কোনো দেশে ওষুধ রফতানি করার মতো যোগ্যতা এখন বাংলাদেশের আছে। সুতরাং এ মুহূর্তে বাংলাদেশের সামনে আর কোনো সমস্যা দেখা যাচ্ছে না।”

Bangladesh exports medicines to 151 countries'

এর আগে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “২০০০ সাল থেকে কারেন্ট গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (সিজিএমপি) অনুযায়ী ওষুধ উৎপাদন করে আসছে। দেশীয় ওষুধ বাজারের পাশাপাশি ২০০৬ সাল থেকে আন্তর্জাতিক বাজারেও সুনামের সঙ্গে রফতানি করে আসছে।”

তিনি বলেন, “বিশ্বের ৩৭টি দেশে আমরা ওষুধ রফতানি করছি। আগামী ৪/৫ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের প্রায় সবক’টি দেশে আমরা ওষুধ রফতানি করে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবো।”
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানি ইনসেপ্টা অচিরেই প্রথম স্থান অর্জন করতে পারবে বলেও আশা করেন তিনি।

সকাল সাড়ে ৯ টায় ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের কারখানা পরিদর্শনে যান মজিনা। এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইমপ্রেস গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মজুমদার, ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালক হাসনিন মুক্তাদির, জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন প্রমুখ।

পরে মজিনা ইনসেপ্টার ফার্মা, বায়োটেক ও ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট ঘুরে দেখে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

সূত্রঃ বাংলানিউজ২৪

Related posts:৭৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে গার্মেন্টস শিল্পনগরী হচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজারবস্ত্র ও পোশাক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী জার্মানি